কক্সবাজারে এক দিন বাড়তি আছে? মেরিন ড্রাইভের শেষে টেকনাফে আছে বিখ্যাত কূপ, নদীর সীমান্ত আর নিরিবিলি সৈকত।
সেন্টমার্টিনের পর্যটকবাহী জাহাজ এখন ছাড়ে কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া জেটি থেকে, তাই বেশির ভাগ পর্যটক টেকনাফ দেখেনই না। দ্বীপে যাওয়ার আগে বা পরে এক দিন হাতে থাকলে মেরিন ড্রাইভ ধরে টেকনাফ যাওয়াটা পোষায়। কী দেখবেন, বলছি।
টেকনাফ মিয়ানমার সীমান্তের কাছে। স্থানীয় প্রশাসন আর নিরাপত্তা বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলুন, আর যাওয়ার আগে খবর দেখে নিন।
মেরিন ড্রাইভ
কক্সবাজার থেকে টেকনাফের রাস্তার বেশির ভাগটা সাগর আর পাহাড়ের মাঝ দিয়ে। পথে কয়েকটা সৈকতে থামুন; সকাল আর পড়ন্ত বিকেল সবচেয়ে সুন্দর।

কী দেখবেন
- মাথিনের কূপ: বিখ্যাত প্রেমের গল্পের কূপ, টেকনাফ থানা চত্বরে। সংস্কার করা হয়েছে, পাশের দেয়ালে গল্পটা লেখা (দ্য ডেইলি স্টার)।
- নাফ নদীর জেটি: নাফ নদী মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত; জেটি থেকে নদীর ওপারে রাখাইনের পাহাড় দেখা যায় (টেকনাফ, উইকিপিডিয়া)।
- টেকনাফ সৈকত: শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে, কক্সবাজারের চেয়ে নিরিবিলি, রঙিন মাছ ধরার নৌকা আর সুন্দর সূর্যাস্ত।
- শামলাপুর সৈকত: পথেই পড়ে, শীতের সকালে প্রায়ই জেলেদের টানা জাল টানতে দেখা যায়।
দিনটা সাজানো
- কক্সবাজার থেকে সকাল সকাল রওনা দিন: যাওয়া-আসায় লম্বা পথ।
- পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন।
- সেন্টমার্টিনের জাহাজের দিনে টেকনাফ রাখবেন না: জাহাজ ছাড়ে ভোরে, কক্সবাজার থেকে।
জাহাজের জন্য দেখুন কীভাবে সেন্টমার্টিন যাবেন আর টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন।



