মূল লেখায় যান
এল মারেনা
নারকেল পাতা আর দ্বীপের সবুজে ঘেরা কটেজ

এল মারেনার কথা

আমাদের গল্প

ছেঁড়াদ্বীপের কাছে ছোট্ট একটি ইকো রিসোর্ট

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ প্রান্তে, ছেঁড়াদ্বীপ সৈকতের কাছে এল মারেনা ইকো রিসোর্ট — জেটির ভিড় আর হইচই থেকে দূরে।

আমাদের আয়োজন ইচ্ছে করেই সাদামাটা: ডুপ্লেক্স আর সিঙ্গেল কটেজ, কয়েকটি তাঁবু, খোলা আকাশের রেস্তোরাঁ আর সাগরের পাশে অফুরন্ত অবসর। দিন শুরু হয় সূর্যোদয় দিয়ে, আর শেষ হয় গ্রিলে মাছ আর তারাভরা আকাশের নিচে বনফায়ারে — মাঝে খোলা মাঠে ফুটবল, আর ছোটদের জন্য খেলার জায়গা।

আর কিছু দরকার হলে আমাদের টিম আছে দিনরাত, ২৪ ঘণ্টা।

এক নজরে

সংক্ষেপে এল মারেনা

কোথায়
ছেঁড়াদ্বীপ সৈকতের কাছে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে, টেকনাফ, কক্সবাজার, বাংলাদেশ
থাকার ব্যবস্থা
সর্বোচ্চ ৪ জনের ডুপ্লেক্স কটেজ (৳৪,০০০–৳৬,০০০), সর্বোচ্চ ২ জনের সিঙ্গেল কটেজ (৳২,০০০–৳৩,০০০) আর সৈকতের পাশে ২ জনের তাঁবু (৳১,০০০–৳১,৫০০)
প্রতিটি কটেজের সঙ্গে ফ্রি
একটি পানীয়, মিনারেল ওয়াটার আর ২৪ ঘণ্টা রুম সার্ভিস
ডুপ্লেক্স কটেজে বাড়তি
কমপ্লিমেন্টারি ব্রেকফাস্ট, অ্যাটাচড বাথরুম, বারান্দা, নিজস্ব হ্যামক আর ওয়াচটাওয়ার
সব অতিথির জন্য
খোলা আকাশের রেস্তোরাঁ, বারবিকিউ স্পট, ফুটবল মাঠ আর শিশুদের খেলার জায়গা
খাবার
ডুপ্লেক্স কটেজের সঙ্গে কমপ্লিমেন্টারি ব্রেকফাস্ট। রেস্তোরাঁর অন্য খাবার, সি-ফুড বারবিকিউ আর সৈকতে ক্যান্ডেললাইট ডিনারের খরচ আলাদা
বুকিং
হোয়াটসঅ্যাপে বা ফোনে: +880 1988-862306
মৌসুম
সরকার যখন দ্বীপ পর্যটকদের জন্য খোলে; ২০২৫–২৬ মৌসুমে তা ছিল নভেম্বর থেকে জানুয়ারি
কীভাবে আসবেন
কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া জেটি থেকে জাহাজে (প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা), তারপর দ্বীপের জেটি থেকে ভ্যান, রিকশা বা বাইকে দক্ষিণে

পরিবেশ

দ্বীপের প্রতি যত্ন

সেন্টমার্টিন ছোট্ট, নাজুক, আর আমাদের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। তাই প্রকৃতির ওপর চাপ যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টা করি।

  • খুঁটির ওপর কাঠের কটেজ

    আমাদের ডুপ্লেক্স কটেজগুলো কাঠের তৈরি, দ্বীপের সবুজের মাঝে মাটি থেকে উঁচুতে খুঁটির ওপর দাঁড়ানো।

  • সোলার প্যানেল

    রিসোর্টের বিদ্যুতের একটা অংশ আসে আমাদের সোলার প্যানেল থেকে।

  • শুধু পায়ের ছাপ রেখে যান

    প্রত্যেক অতিথিকে অনুরোধ করি নিজের ময়লা সঙ্গে নিয়ে যেতে, আর প্রবাল, ঝিনুক ও পাথর যেখানে আছে সেখানেই রেখে দিতে।

সেন্টমার্টিন সরকার-ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা, আর দ্বীপকে রক্ষা করতেই পর্যটকের সংখ্যা সীমিত রাখা হয়। দ্বীপের প্রতি যত্নশীল থাকার জন্য ধন্যবাদ।

কীভাবে আসবেন

এল মারেনায় পৌঁছানোর পথ

সেন্টমার্টিনে আসতে হয় সাগরপথে। নিচে সাধারণ পথটা দেওয়া হলো — জাহাজের টিকিট আমরাও কেটে দিতে পারি।

  1. ভাটার সময় শান্ত সৈকতে মাছ ধরার নৌকা
    ১

    কক্সবাজারে আসুন

    ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে বাস, ট্রেন বা বিমানে কক্সবাজার আসুন। পর্যটকবাহী জাহাজ এখন টেকনাফ নয়, কক্সবাজার থেকে ছাড়ে।

  2. সেন্টমার্টিনের জেটিতে পর্যটকবাহী জাহাজ
    ২

    জাহাজে সেন্টমার্টিন

    কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া জেটি থেকে জাহাজ ছাড়ে সকাল ৭টার দিকে, পৌঁছাতে লাগে প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। মৌসুমে সিট দ্রুত ফুরিয়ে যায়, তাই আগেভাগে টিকিট কাটুন — অথবা আমাদের বলুন, আমরাই কেটে দেব।

  3. মাঠের ওপার থেকে দেখা এল মারেনার সারি সারি কটেজ
    ৩

    জেটি থেকে এল মারেনা

    দ্বীপের জেটি থেকে স্থানীয় ভ্যান, রিকশা বা বাইকে দক্ষিণে ছেঁড়াদ্বীপের দিকে চলে আসুন। চাইলে আমরাই বাইক বা অটো ঠিক করে দেব (খরচ আলাদা)।

সেন্টমার্টিন দ্বীপে কখন আর কতজন পর্যটক যেতে পারবেন, তা সরকার ঠিক করে দেয়। গত মৌসুমে (২০২৫–২৬) দ্বীপ খোলা ছিল নভেম্বর থেকে জানুয়ারি, দিনে সর্বোচ্চ ২,০০০ পর্যটকের জন্য: নভেম্বরে শুধু দিনে গিয়ে দিনেই ফেরা যেত, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে রাতে থাকা যেত, আর প্রতিটি জাহাজের টিকিটে ট্রাভেল পাস লেগেছে। ২০২৬–২৭ মৌসুমে রাতে থাকার সুযোগ বাড়ানোর কথা বলেছে সরকার, তাই সর্বশেষ তথ্যের জন্য হোয়াটসঅ্যাপে আমাদের জিজ্ঞেস করুন।

আমরা কোথায়

সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে, ছেঁড়াদ্বীপ সৈকতের কাছে — জেটির ভিড় থেকে দূরে।

হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন