সেন্টমার্টিন কত বড়, এর প্রবাল কত পুরোনো, আর কেন একে নারিকেল জিঞ্জিরা বলা হয়? মূল তথ্যগুলো, সূত্রসহ।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ (নারিকেল জিঞ্জিরা) বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর মূল তথ্যগুলো, প্রতিটি কোথা থেকে নেওয়া সেটাসহ, সাজিয়ে দিলাম ছেঁড়াদ্বীপের কাছের এল মারেনা ইকো রিসোর্টের পক্ষ থেকে।
কোথায় আর কত বড়
- কোথায়: বঙ্গোপসাগরে, কক্সবাজার-টেকনাফ উপদ্বীপের মাথা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে (বাংলাপিডিয়া)।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৭.৩ কিলোমিটার, উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে (বাংলাপিডিয়া)।
- প্রস্থ: উত্তর অংশ প্রায় ১.৪ কিলোমিটার পর্যন্ত চওড়া, মাঝখানে মাত্র প্রায় ৫০০ মিটার, আর দক্ষিণে প্রায় ১ কিলোমিটার পর্যন্ত (বাংলাপিডিয়া)।
- উচ্চতা: গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩.৬ মিটার (বাংলাপিডিয়া)।
- ছেঁড়াদ্বীপ: দক্ষিণ মাথার কাছে ছোট ছোট দ্বীপ, ভাটায় হেঁটে যাওয়া যায়।

নামগুলো
স্থানীয়রা একে নারিকেল জিঞ্জিরা বলেন, এর নারিকেল গাছের জন্য (বাংলাপিডিয়া)। ইংরেজি নাম সেন্টমার্টিন এসেছে ব্রিটিশ আমলে; প্রচলিত গল্প হলো এক ব্রিটিশ কর্মকর্তার নামে নাম রাখা হয়, তবে আমরা যে বিবরণগুলো পেয়েছি, সেগুলোর খুঁটিনাটি মেলে না।
প্রবাল আর ভূতত্ত্ব
- ভাটার সময়ের পানির স্তরের কাছে আড়াল করা জলাশয়ে ছোট ছোট জীবন্ত প্রবাল কলোনি জন্মায় (বাংলাপিডিয়া)।
- সেখানে পাওয়া সবচেয়ে পুরোনো জীবাশ্ম প্রবালের বয়স প্রায় ৩৩,০০০ বছর (বাংলাপিডিয়া)।
- আজকের ভাটার স্তরের ওপরে পাওয়া মৃত প্রবাল দেখায় যে দ্বীপটা এখনো ধীরে ধীরে উঁচু হচ্ছে (বাংলাপিডিয়া)।
কেন সংরক্ষিত
সরকার সেন্টমার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছে, তাই প্রতি বছর ঠিক করে দেয় কখন আর কতজন পর্যটক যেতে পারবেন। শীতে এর সৈকতে সামুদ্রিক কচ্ছপ ডিম পাড়ে। পর্যটকদের কী করা উচিত আর উচিত নয়, তা আছে আমাদের প্রবাল দ্বীপের নিয়ম লেখায়।
যাওয়া
পর্যটকবাহী জাহাজ ছাড়ে কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া জেটি থেকে, একপথে প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। পুরো ছবিটা পাবেন আমাদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণ গাইডে।



