খুঁটির ওপর দোতলা কাঠের ঘর, মই বেয়ে লফট, বারান্দায় হ্যামক আর ওপরে লুকআউট। আসলে কী কী পাবেন, দেখে নিন।
ডুপ্লেক্স কটেজগুলোই অতিথিদের সবচেয়ে বেশি মনে থাকে। এল মারেনা ইকো রিসোর্টে এমন ৬টা আছে, প্রতিটা ছেঁড়াদ্বীপের কাছে গাছের মাঝে খুঁটির ওপর দোতলা কাঠের কটেজ। ভেতরে কী আছে, তলা ধরে ধরে বলছি।

নিচতলায়
নিচে একটা ডাবল বেড আর নিজের অ্যাটাচড বাথরুম, সাথে শাওয়ার আর বেসিন। রাতে বাইরে যেতে হয় না। বাবা-মা আর বয়স্ক অতিথিদের জন্য এটা সুবিধা, দরকারি সবকিছু এক তলাতেই।

মই বেয়ে ওপরে
মই বেয়ে উঠলে ঘুমানোর লফট। বাচ্চারা খুব পছন্দ করে, তবে ছোটদের দিকে খেয়াল রাখবেন। একদম ওপরে লুকআউট, সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত আর তারা দেখার জন্য পুরো রিসোর্টের সেরা জায়গা।
বারান্দা
প্রতিটা ডুপ্লেক্সে বারান্দা আর নিজের হ্যামক আছে। গাছের মাঝে সকালের চা, আর বিকেলে কিছুই না করে শুয়ে থাকা, দুটোরই তুলনা নেই।
সাথে যা পাবেন
- কমপ্লিমেন্টারি সকালের নাশতা
- একটি কমপ্লিমেন্টারি পানীয় আর ফ্রি মিনারেল ওয়াটার
- ২৪ ঘণ্টা রুম সার্ভিস
- বারবিকিউ স্পট, ফুটবল মাঠ আর শিশুদের খেলার জায়গা
খরচ কত
একটা ডুপ্লেক্সের ভাড়া ৳৪,০০০–৳৬,০০০, পুরো কটেজের, জনপ্রতি নয়। রবি থেকে বৃহস্পতি কম দাম। ৩০০ বর্গফুটে ৪ জন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই চারজন ভাগ করলে জনপ্রতি মাত্র ৳১,০০০। ছবি দেখুন ডুপ্লেক্স কটেজের পাতায়।
কাদের জন্য ভালো
চারজনের পরিবার আরামে থাকতে পারে, বাবা-মা নিচে আর বাচ্চারা ওপরে লফটে। চার বন্ধু ভাড়া ভাগ করে নিতে পারেন। আর হানিমুন বা অ্যানিভার্সারিতে কাপলদের জন্য এটাই ভালো, নিজের বাথরুম, হ্যামক আর নাশতা সব ঠিক করাই থাকে। বয়স্ক বাবা-মা থাকলে ডাবল বেড আর বাথরুম দুটোই নিচে, তাই মই বাইতে হবে না।
অতিথিরা কীভাবে কাটান
ব্যাগ রেখে সোজা ওপরে উঠে চারপাশটা দেখে নিন। সকাল শুরু হয় বারান্দায় চা আর আমাদের রান্নাঘরের নাশতা দিয়ে। দুপুরের গরমে হ্যামকই ভরসা। সূর্যাস্তের সময় আবার লুকআউট, আর অন্ধকার নামলে তারা দেখতে আরেকবার।
বুকিং
- শুক্র-শনির জন্য আগে বুক করুন, ওই সময় দ্বীপে ভিড় বেশি।
- রবি থেকে বৃহস্পতি এলে ভাড়া কম, রিসোর্টও নিরিবিলি।
- হোয়াটসঅ্যাপে তারিখ জানান, কোনটা খালি আর মোট কত, জানিয়ে দেব।
- একই চ্যাটে জাহাজের সিটও বুক করে দিতে পারি।



