ডুপ্লেক্সে ফ্রি, বাকিদের জন্যও খরচ কম। ছেঁড়াদ্বীপের কাছে আমাদের রেস্তোরাঁয় সকালটা কেমন, বলছি।
ছেঁড়াদ্বীপের কাছে সকাল শুরু হয় তাড়াতাড়ি। সাগরের ওপর সূর্য ওঠে, দ্বীপের দক্ষিণ তখনো চুপচাপ, আর মাথায় প্রথম যে কথাটা আসে সেটা চা। এল মারেনা ইকো রিসোর্টে নাশতা কীভাবে চলে বলে দিচ্ছি, যাতে বুকিংয়ের আগেই জানেন কী সাথে পাচ্ছেন আর কীসের জন্য টাকা দিতে হবে।

ডুপ্লেক্স কটেজে ফ্রি
আমাদের ডুপ্লেক্স কটেজে থাকলে সকালের নাশতা কমপ্লিমেন্টারি। এটা কটেজের সাথেই, তাই চেক-আউটের সময় বিলে আলাদা কিছু যোগ হয় না। অ্যাটাচড বাথরুম, বারান্দা আর হ্যামকের সাথে এই নাশতাও একটা বড় কারণ, যেজন্য পরিবার বা চার বন্ধুর জন্য ডুপ্লেক্স ভালো পড়ে। আর কী কী পাবেন দেখুন ডুপ্লেক্স কটেজের পাতায়।
সিঙ্গেল কটেজ আর তাঁবুর অতিথিদের জন্য
সিঙ্গেল কটেজ বা তাঁবুর সাথে নাশতা থাকে না, তবে আমাদের নাশতার মেনু সহজ, খরচও কম:
- পরোটা বা রুটি, প্রতি পিস ৳৫০
- ডিম ভাজি, প্রতি পিস ৳৫০
- আলু ভাজি, একজনের ৳৬০
- রং চা ৳৩০, দুধ চা ৳৫০ আর কফি ৳১০০
৳২৬০-এ ভরপেট নাশতা
দুটো পরোটা, একটা ডিম ভাজি, আলু ভাজি আর এক কাপ দুধ চা মিলিয়ে ৳২৬০। ছেঁড়াদ্বীপে হেঁটে গিয়ে ফিরে আসার দিনেও দুপুর পর্যন্ত পেট ভরা থাকবে। তাঁবুতে দুজন থাকলে দুজনে মিলে ৳৫০০-এর একটু বেশিতে ভালোভাবে খাওয়া হয়ে যায়। আর বের হওয়ার আগে শুধু চা আর একটা পরোটা চাইলে ৳১০০-এর কমে।
কোথায় খাবেন
নাশতা দেওয়া হয় আমাদের খোলা রেস্তোরাঁয়। ২৪ ঘণ্টা রুম সার্ভিস আছে, তাই ডুপ্লেক্সের অতিথিরা বারান্দাতেও চাইতে পারেন। পরিষ্কার সকালে লুকআউটে বসে চা খাওয়ার তুলনা নেই।
কিছু পরামর্শ
- কখন নাশতা চান আগের রাতেই বলে দিন, বিশেষ করে ভোরে বের হলে।
- আরেকটা ডিম বা আরেক কাপ চা লাগবে? শুধু বলুন।
- নির্দিষ্ট কোনো মাছ খেতে চাইলে নাশতার সময়ই দুপুরের অর্ডার দিন, আজ কী তাজা এসেছে বলে দেব।
- সব পদ আর দাম আছে আমাদের খাবারের মেনুতে।






