লুকআউট থেকে সূর্যোদয়, ভাটায় ছেঁড়াদ্বীপ, দুপুরে মাছ আর রাতে বনফায়ার। একটা ভালো দিন এখানে এভাবেই কাটে।
এল মারেনা ইকো রিসোর্টে কোনো রুটিন নেই, সেটাই মজা। তবে ছেঁড়াদ্বীপের কাছে সারাদিন কী করবেন ভাবলে, একটা ভালো দিন সাধারণত এভাবেই কাটে।

ভোরবেলা
শীতে সূর্য ওঠে সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে। ডুপ্লেক্সের লুকআউটে উঠে যান, অথবা হেঁটে চলে যান সৈকতে। তারপর চা আর নাশতা। ডুপ্লেক্সে এটা ফ্রি, বাকিদের জন্য আছে আমাদের খাবারের মেনুতে।
সকালের দিকে
জোয়ার-ভাটা দেখে নিন। ভাটা থাকলে হেঁটে চলে যান ছেঁড়াদ্বীপে, বাংলাদেশের একদম দক্ষিণ প্রান্তে। না হলে বাইক বা অটোতে দ্বীপ ঘুরে আসুন, অথবা আমাদের বলুন, স্থানীয় নৌকায় মাছ ধরার ব্যবস্থা করে দেব।
দুপুর আর বিকেল
রেস্তোরাঁয় মাছ-ভাত, তারপর হ্যামক। বাচ্চারা সাধারণত স্লাইড, দোলনা আর চড়ার খেলনার দিকে দৌড়ায়, আর ফুটবল খেলতে চাইলে খোলা মাঠ তো আছেই। বলটা আমাদের কাছে চেয়ে নিন।

সূর্যাস্ত
সূর্য ডোবার সময় পাথরের দিকে হেঁটে যান, শীতে ৫টার একটু পরে। ভাটা থাকলে পাথরের ফাঁকের পানিতে আলোটা দারুণ দেখায়।
রাত
বারবিকিউতে তাজা মাছ বা মুরগি, তারপর বনফায়ার। এখানে শহরের আলো নেই, তাই তারা দেখার জন্য একটু জেগে থাকুন। রাত ১১টা থেকে নীরবতার সময়।

বাচ্চারা সাথে থাকলে
ঠান্ডা থাকতে সকালেই হাঁটা সেরে নিন, আর বাচ্চাদের ধারালো পাথরে না, বালুতে রাখুন। দুপুরের খাবারের পর ওদের খেলার জায়গায় ছেড়ে দিন, আপনি কাছেই বসুন। রাতের খাবার একটু আগে সারতে পারেন, আর জেগে থাকলে বনফায়ার আর তারা দিয়ে দিনটা শেষ হবে। পরিবারের জন্য ডুপ্লেক্স সবচেয়ে ভালো, বাথরুম ভেতরে আর নাশতাও আছে।
শুধু আপনারা দুজন হলে
পরিকল্পনা বাদ দিন। হ্যামক, সূর্যাস্ত আর লম্বা একটা রাতের খাবার, এটুকুই। বিশেষ কোনো উপলক্ষ হলে সৈকতে ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের কথা জিজ্ঞেস করুন। এটা আলাদা খরচের, থাকা বুক করার সময়ই বলে রাখা ভালো।
কত দিন থাকবেন
এক রাত থাকলে সূর্যাস্ত, তারা আর সূর্যোদয় পাবেন। দুই রাত থাকলে ঘড়ি দেখা বন্ধ, আর ছেঁড়াদ্বীপের জন্য ভালো সময়ে ভাটা পাওয়ার সুযোগও বেশি। রবি থেকে বৃহস্পতি স্বাভাবিক ভাড়ার অর্ধেক, তাই বাড়তি রাতে খরচ যতটা ভাবছেন ততটা না।






